দীর্ঘদিন কম্পিউটার ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারে প্রচুর অপ্রয়োজনীয় টেম্পোরারি ফাইল, রেজিস্ট্র ও অ্যাপ্লিকেশন তৈরি হয় যেগুলোর কিছু কিছু আবার ব্যাকগ্রাউন্ডে সচল থাকে যা মোমোরির প্রচুর অপচয় ঘটায়। মূলত এই কারণেই কম্পিউটারের গতি ধীরে ধীরে কমতে থাকে। তবে ডিফ্রাগমেন্ট, ক্লিনআপ, টেম্পোরারি ফাইল ও রেজিস্ট্রি ক্লিনাপ এর মত কিছু বিষয় সম্পর্কে সচেতন থাকলেই কিন্তু আপনার কম্পিউটার কখোনই বয়সের ভারে নুয়ে পড়বেনা
TuneUp Utilities
এবার চালু করলেই দেখবেন সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার কম্পিউটারের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছে। সেখান থেকে Fix দিয়ে সেগুলো ঠিক করে নিতে পারেন। এর Maintain System মেনুতে আছে ক্লিনআপ করার প্রায় সবরকম টুলস। এতে Startup ও Shutdown Optimizer ছাড়াও রয়েছে শক্তিশালী Hard Disk ও Registry ডিফ্র্যাগার যা কম্পিউটারের সাধারন ডিফ্র্যাগার থেকে কয়েক গুণ বেশি শক্তিশালী। এখানে আমি ইমতিয়াজ ভাইয়ের আগের এই পোস্টটির কথাই উল্লেখ করলাম, যদি ছোট কোন ফাইল ডিলিট করা হয় তবে সেখানে একটা ফাঁকা জায়গা তৈরি হয় এবং এই জায়গাটি যদি এতই ছোট হয় যে অন্য কোন ফাইল রাইট করা যায় না তবে হার্ডড্রাইভে এরকম ছোট ছোট অনেক ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়, ডাটা রিড করার জন্য রিড হেডকে অনেক বেশি মুভ করতে হয়। ফলে হার্ডড্রাইভ স্লো হয়ে যায় এবং সার্বিক পারফরমেন্স খারাপ হয়ে যায়। শুধু ফাইলের ক্ষেত্রেই নয়, বিভিন্ন সফটওয়্যার ইন্সটল করে আবার আনিন্সটল করলে রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে আর এই ধরনের প্রায় সব সমস্যারই সমাধান পাওয়া যাবে এই সফটওয়্যারটিতে।
এরপর এর Increase Performance মেনুটিতে রয়েছে একটি শক্তিশালী ডিস্ক ক্লিনার ও টারবো মোড যা চালু করলে কম্পিউটার তার সাধারন ক্ষমতা থেকেও বেশি গতিতে কাজ করে ক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারবে। তাছাড়া Fix Problems মেনুটির কথা আগেই উল্লেখ করেছি। TuneUp Utilities এর আরেকটি বিশেষ গুণ হলো এটি আপনাকে বিভিন্ন সেটিংস, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার পরিবর্তন ও সংযোজনেরও পরামর্শ দেবে যা আপনার কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বাড়িয়ে দেবে কয়েকগুণ। এছাড়াও Customize Windows মেনুর সাহায্যে আপনি আপনার কম্পিউটারের Visual Appearance এও পরিবর্তন আনতে পারেন। এর মাঝে বিশেষ উল্লেখযোগ্য হল Log On স্ক্রিন, বিশেষ Icon ও Font ইত্যাদির স্টাইল পরিবর্তন করা।
এবার TuneUp Utilities চালু করে আপনি নাকে খাটি সরিষার তেল দিয়ে ঘুমাতে পারেন